Posts

ক্যান্সার/কিডনী/লিভার সিরোসিস/স্ট্রোকে প্যারালাইজড/জন্মগত হৃদরোগ এবং থ্যালাসেমিয়ায় আক্রান্ত রোগীদের আর্থিক সহায়তার জন্য আবেদন..

Image
 

জান্নাত থেকে আসছে জমজম কূপের পানি....

Image
২৪ জন ডুবুরি জম জম কূপের তলদেশে গিয়ে নিয়ে এলেন  অজানা তথ্য!! আল্লাহ পাকের কুদরত দেখে অবাক বিজ্ঞানীরা ! ষাটের দশকের কথা। তখন ছিল বাদশাহ্ খালেদের শাসনামল। ওই সময় আধুনিক যন্ত্রপাতির দিয়ে পরিষ্কার কারার ব্যবস্থা করা হয়েছিল জম জম কূপটি।  জম জম কূপটি পরিষ্কারের কাজ তত্বাবধান করেন প্রকৌশলী "ইয়াহইয়া কোশক"। তার প্রদত্ত বিবরণ থেকে বলা যায়, বড় ধরনের কয়েকটি পাথরের তলদেশ থেকে প্রবল বেগে পানি উৎসারিত হচ্ছে। সবচাইতে বড় পাথরের  উপর স্পষ্ট আরবী হরফে “বিসমিল্লাহ্” কথাটি উৎকলিত রয়েছে।  রাসুলুল্লাহর (সাঃ) এর দাদা  আবদুল মুত্তালিব-এর সময় কূপের গভীরতা ছিল মাত্র ১৪ ফুট। খলিফা মামুনুর রশীদের আমলে পুনরায় খনন করা হয় এই জম জম কূপ। এ সময় পানির নিঃসরণ খুব বেড়ে গিয়েছিল। এমনকি কূপের বাইরে  পানি উপচে পড়া শুরু করেছিল। দীর্ঘ কয়েক শতাব্দী পর সৌদি সরকার আধুনিক মেশিনের সাহায্যে কূপ পুনঃখনন করেন। ২৪ জন ডুবুরি কূপের তলদেশে গিয়েছিলেন তা পরীক্ষা- নিরীক্ষা করার জন্য।  ডুবুরিরা দেখেন, সেখানে রং-বেরংয়ের মাটির স্তর জমাট বেঁধে আছে। আর অবিরাম নির্গত পানিকে পরিশোধন করছে। তারা আল্লাহর এ কুদরত দেখে বি...

হেরা পর্বত: পবিত্র কোরআন নাজিলের পাহাড়...

Image
মক্কা শরিফ থেকে ছয় কিলোমিটার উত্তর-পূর্ব দিকে অবস্থিত একটি পাহাড়ের নাম জাবালে নূর। এই পাহাড়ের চূড়ায় অবস্থিত একটি গুহাকে বলা হয়- ‘গারে হেরা’ বা ‘হেরা গুহা’। নবুওয়ত লাভের পূর্বে নবী করিম (সা.) এই গুহায় ইবাদতে মগ্ন থাকতেন। এখানেই সর্বপ্রথম অহি নাজিল হয়েছিলো।  নিচ থেকে দেখলে মনে হয় পাহাড়টি খুব বেশি উঁচু নয়। কিন্তু আদতে পাহাড়টি অনেক উচু।মূল পাহাড়ের উচ্চতা ৫৬৫ মিটার। এখানে উঠতে হয় হেঁটে। ভাবতে অবাক লাগে, আজ থেকে সাড়ে চৌদ্দশত বছর আগে জাবালে নূরের একেবারে চূড়ায় অবস্থিত হেরা গুহায় উঠার জন্য এখনকার মতো রাস্তা ছিলো না। কোনো সিঁড়ি ছিলো না। ছিলো না কোনো রেলিং। তখন এই পথ বেয়ে হজরত রাসূলুল্লাহ (সা.) ওপরে উঠতেন। আর উম্মুল মুমিনিন হজরত খাদিজা (রা.) হজরত রাসূলুল্লাহ (সা.)-এর জন্য নিয়ম করে খাবার নিয়ে যেতেন! হেরা গুহা ও জাবালে নূর এ দু’টি স্থান মুসলমানদের কাছে খুবই প্রিয়। এই পাহাড়ের হেরা গুহায় প্রথম অহি নিয়ে আসেন হজরত জিবরাইল (আ.)। তিনি এসে নবী করিম (সা.) কে বলেন, ‘পড়ুন। ’ নবী করিম (সা.) বললেন, ‘আমি পড়তে জানি না। ’ হজরত জিবরাঈল (আ.) নবী করিম (সা.) কে আলিঙ্গন করলেন। জিবরাঈল (আ.) পুনরায় তাকে বল...

সে বোঝা নয়, সে আমার ভাই/সে আমার বোন (He’s not a burden, he’s my brother/sister).

Image
 👩‍👩‍👧‍👧👉দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় জাপানের এই ছেলেটি তার মৃত ভাইকে কবর দিতে পিঠে বয়ে নিয়ে যাচ্ছিল। একজন সৈন্য তাকে লক্ষ্য করে এবং মৃত শিশুটিকে বোঝা বলে তাকে ফেলে দিতে বলে যাতে সে ক্লান্ত না হয়। ছেলেটি তখন জবাব দেয়, "সে বোঝা নয়, সে আমার ভাই!" সৈনিকটি বুঝতে পেরে কান্নায় ভেঙে পড়ে। সেই থেকে এই ছবিটি জাপানে ঐক্যের প্রতীক হয়ে উঠে। এটি তাদের নীতিবাক্য হয়ে যায়- "সে বোঝা নয়, সে আমার ভাই/সে আমার বোন।" (“He’s not a burden, he’s my brother/sister"). যদি সে পড়ে যায়, তাকে উঠান। ক্লান্ত হলে তাকে সাহায্য করুন। যদি তার সামর্থ্য দুর্বল হয়, পাশে দাঁড়ান। আর যদি সে ভুল করে থাকে, তাহলে তাকে ক্ষমা করে দিন। পৃথিবী যদি তাকে পরিত্যাগ করে তবে তাকে আপনার পিঠে নিন, কারণ সে বোঝা নয়, সে আপনার ভাই/বোন!🙏🙏

এক নজ‌রে হজ্ব....

Image
 এক নজ‌রে হজ্ব "৫ জায়গায় ৫ দিনে ৯ কাজ করাকে হজ্জ বলে"!  🔹৫ জায়গা হল; ১. মিনা ২. আরাফা ৩. মুজদালিফা ৪. জামারাত ও  ৫. বাইতুল্লাহ। 🔹৫ দিন হল;  জুলহিজ্জাহ (জিলহজ্জ) মাসের ৮. ৯. ১০. ১১. ১২। 🔹৯ কাজ হল;  তার মধ্যে ৩টি ফরজ ৬টি ওয়াজিব  ফরজ তিনটি; ১. ইহরাম ২. আরাফা ৩. তওয়াফে জিয়ারত।  ওয়াজিব ৬টি হল;  ১. মুজদালফা ২. কঙ্কর ৩. কুরবানী ৪. মাথা কামানী ৫. সাঈ ৬. বিদায়ী তওয়াফ  🔹খোলাসা কথা, হজ্জের জন্য জায়গা হল ৫টি, হজ্জ পালনের জন্য দিন হল ৫টি আর কাজ হল মাত্র ৯টি।  ব্যস! সিরিয়াল মত ঠিকঠাক থাকলে আপনার হজ্জ সম্পূর্ণ হবে, ইনশাআল্লাহ। আল্লাহ সকল হাজ্বীদের হজ্বকে কবুল  করুন। আমীন।

পুরাতন দলিলে ব্যবহৃত ১৩০ টি শব্দের অর্থ....

Image
 পুরাতন দলিলে ব্যবহৃত ১৩০ টি শব্দের অর্থ তাছাড়া দলিলে লিখিত অনেক শব্দ আছে, যার সংক্ষিপ্ত রুপ ব্যবহার করা হয়ে থাকে। এমনও কিছু শব্দ আছে যা খুব কম ব্যবহার হয়। যারা পুরাতন দলিলের ব্যবহৃত শব্দের অর্থ বোঝেন না, তাদের জন্য এই লেখাটি অত্যান্ত জরুরী-  ১. মৌজা = গ্রাম। ২. জে.এল নং = মৌজা নং/গ্রাম নম্বর। ৩. ফর্দ = দলিলের পাতা। ৪. খং = খতিয়ান। ৫. সাবেক = আগের/পূর্বের বুজায় ৬. হাল = বর্তমান। ৭. বং = বাহক, অর্থাৎ যিনি নিরক্ষর ব্যক্তির নাম লিখে। ৮. নিং = নিরক্ষর। ৯. গং = আরো অংশীদার আছে। ১০. সাং = সাকিন/গ্রাম। ১১. তঞ্চকতা = প্রতারণা। ১২. সনাক্তকারী = যিনি বিক্রেতাকে চিনে। ১৩. এজমালী = যৌথ। ১৪. মুসাবিদা = দলিল লেখক। ১৫. পর্চা = বুঝারতের সময় প্রাথমিক খতিয়ানের যে নকল দেওয়া হয় তাকে পর্চা বলে। ১৬. বাস্তু = বসত ভিটা। ১৭. বাটোয়ারা = বন্টন। ১৮. বায়া = বিক্রেতা। ১৯. মং = মবলগ/মোট ২০. মবলক = মোট। ২১. এওয়াজ = সমপরিমাণ কোন কিছু বদলে সমপরিমাণ কোন কিছু বদল করাকে এওয়াজ বলে। ২২. হিস্যা = অংশ। ২৩. একুনে = যোগফল। ২৪. জরিপ = পরিমাণ। ২৫. এজমালী = কোনো ভূমি বা জোতের একাধিক শরীক থাকিলে তাহাকে এজমালী সম্পত্তি বা এ...

১৫ টি দলিলের সংঙ্গা, রেখে দিন আপনার টাইমলাইনে।

Image
 

#তোমরা রমজানের শেষ দশকের বেজোড় রাতে শবে কদর তালাশ কর.....

Image
বছরের সর্বশ্রেষ্ঠ বরকতময় রাত হলো শবে কদর। জীবন্ত মুজিজা মহাগ্রন্থ আল–কোরআন এই রাতেই প্রথম নাজিল হয়েছিল। আল্লাহ তাআলা বলেন, ‘নিশ্চয়ই আমি কোরআন নাজিল করেছি মাহাত্ম্যপূর্ণ রজনীতে। আপনি কি জানেন মহিমাময় রাত্রি কী? মহিমান্বিত নিশি সহস্র মাস অপেক্ষা উত্তম। সে রাত্রিতে ফেরেশতারা রুহুল কুদুস হজরত জিবরাইল (আ.) সমভিব্যাহারে অবতরণ করেন; তাদের প্রভু মহান আল্লাহর নির্দেশ ও অনুমতিক্রমে, সকল বিষয়ে শান্তির বার্তা নিয়ে। এই শান্তির ধারা চলতে থাকে উষা উদয় পর্যন্ত।’ (সুরা-৯৭ কদর, আয়াত: ১-৫)। #আরবিতে ‘লাইলাতুল কদর’ বা কদর রজনী, এর ফারসি হলো শবে কদর। অর্থ সম্মানিত মর্যাদাপূর্ণ ও মহিমান্বিত, সম্ভাবনাময়, ভাগ্যনির্ধারণী রজনী। পবিত্র কোরআন নাজিলের মাস রমজান মাস, কোরআন নাজিলের রাত শবে কদর। এ রাতেই প্রথম পবিত্র মক্কা মুকাররমার জাবালে রহমত তথা হেরা পর্বতের গুহায় আল্লাহ রাব্বুল আলামিনের পক্ষ থেকে জিবরাইল (আ.)–এর মাধ্যমে বিশ্বনবী হজরত মুহাম্মদ (সা.)–এর প্রতি কোরআন কারিম অবতীর্ণের সূচনা হয়। আল্লাহ তাআলা বলেন, ‘রমজান মাস! যে মাসে কোরআন নাজিল হয়েছে মানবের দিশারি রূপে ও হিদায়াতের সুস্পষ্ট নিদর্শন হিসেবে।’ (সুরা-২ বাকারা...

#তাহাজ্জুদ নিয়ে মোটিভেশনাল কিছু কথা

Image
  এইভাবে তাহাজ্জুদ পড়ে দেখুন দোয়া কবুল না হওয়ার অভিযোগ বন্ধ হয়ে যাবে ইনশাআল্লাহ। রাত ২/৩ টা তাহাজ্জুদ এর উত্তম সময়ে উঠে মিসওয়াক শেষে উত্তমরুপে ওযু বা গোসল করে ভালো সুন্দর পবিত্র জামাটি পরিধান করুন, হালাল সুগন্ধি ব্যবহার করে নিজেকে উত্তমরুপে সাজিয়ে নিন, এই সাজ অন্য কারো জন্য নয় শুধুই মহান সৃষ্টিকর্তা রব এর জন্য। জায়নামাজ বিছিয়ে ধীরস্থির ভাবে দুই রাকাত নামাজ পড়ুন। নামাজান্তে সেজদায় লুটিয়ে চোখের পানি ছেড়ে মহান রবকে ডাকুন, যিনি আপনার প্রার্থনা শোনার জন্য আপনার চোখের পানি দেখার জন্য প্রথম আসমানে নেমে এসেছেন, ধৈর্য্যধারণ করে, প্রশান্তচিত্তে নামাজের মধ্যে তাঁকে ডাকতে থাকুন... সেই রব আপনার দোয়া কবুল করবেন না তো কার দোয়া কবুল করবেন? আপনার ডাক শুনবেন না তো কার ডাক শুনবেন? আপনি আর সেই ব্যক্তি কি এক হবেন যিনি বেঘোরে ঘুমাচ্ছে আর আপনি অশ্রুবর্ষণ করে মহান রবের কাছাকাছি চলে গিয়েছেন, নিশ্চয়ই না? আপনি আল্লাহর রহমতের ছাঁয়ার নিচে আর সে অনেক অনেক দূরে। আপনার প্রার্থনায় আরশ কেঁপে ওঠছে, তকদির দোলছে অবশেষে আল্লাহ তকদির পরিবর্তন করে বান্দার আরজি কবুল করেন ইনশাআল্লাহ। وَمِنَ ٱلَّيۡل...